প্রায় ১৯ মাস পর প্রাণ ফিরেছে হাবিপ্রবি ক্যাম্পাসে

  • 22 Oct
  • 12:03 AM

আব্দুল্লাহ আল মুবাশ্বির, হাবিপ্রবি প্রতিনিধি 22 Oct, 21

করোনা পরিস্থিতিতে গত বছরের মার্চ মাসে সশরীরে শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ করে দেয় হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (হাবিপ্রবি) প্রশাসন। দীর্ঘ ১৯ মাস পর অবশেষে বৃহস্পতিবার (২১ অক্টোবর) থেকে পুনরায় সশরীরে ক্লাশ-পরীক্ষাসহ সার্বিক শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করেছে দেশের এই উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি।

সশরীরে ক্লাস শুরুর আগে গত ১৮ অক্টোবর থেকে ২০ অক্টোবর পর্যন্ত ধাপে ধাপে বিশ্ববিদ্যালয়ের সবগুলি আবাসিক হল খুলে দেয়া হয় এবং ফুল দিয়ে হলে বরণ করে নেওয়া হয় শিক্ষার্থীদের। এসময় হবিপ্রবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম কামরুজ্জামান বিভিন্ন হলের শিক্ষার্থীদের আনুষ্ঠানিকভাবে বরণ করে নেবার সার্বিক কার্যক্রম সশরীরে পরিদর্শন করেন।

তবে আপাতত কমপক্ষে এক ডোজ টিকা নেয়া তৃতীয়, চতুর্থ বর্ষ এবং মাস্টার্স এ অধ্যয়নরত আবাসিক শিক্ষার্থীরাই কেবল হলে উঠতে পারবেন বলে জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

এছাড়াও সশরীরে ক্লাশ শুরুর আগে ১৮ তারিখ থেকে থেকে দিনাজপুর সিভিল সার্জন অফিসের সহযোগিতায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টারে টিকাদান কার্যক্রমও শুরু হয়েছে। রেজিস্ট্রেশন করা সাপেক্ষে শিক্ষার্থীরা সেখানে প্রথম ডোজ টিকা নিতে পারছেন বলে জানিয়েছেন চীফ মেডিকেল অফিসার ডা. মো: নজরুল ইসলাম।

এদিকে দীর্ঘ প্রতিক্ষার পর পুনরায় সশরীরে শিক্ষা কার্যক্রম চালু হওয়ায় উচ্ছ্বসিত শিক্ষার্থীরা।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৮ তম ব্যাচের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী নাদিম হোসাইন বলেন, 'আমাদের এতো সুন্দরভাবে আবাসিক হলে বরণ করে নেবার পর আজ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে সশরীরে ক্লাশ-পরীক্ষা চালু করায় প্রশাসনকে ধন্যবাদ জানাই। অনেকদিন পর ক্যাম্পাসে পুনরায় প্রাণ ফিরে এসেছে। আমরা আবারও আগের মতোই বিশ্ববিদ্যালয়কে অনুভব করতে পারবো বলে ভালো লাগছে'।

১৭ তম ব্যাচের কৃষি অনুষদের শিক্ষার্থী সানজিদা সোমা জানিয়েছেন, 'বিশ্ববিদ্যালয় খুলে যাওয়ায় আমরা সকলেই অনেক খুশী। টিএসসি-ক্যাফেটেরিয়া আবারও আগের মতো সরগরম হয়ে উঠেছে। অনেকদিন পর বন্ধু-বান্ধবদের সাথে দেখা করতে পেরে মনে হচ্ছে যেনো নতুন জীবন ফিরে পেয়েছি। প্রার্থনা করি করোনা পরিস্থিতির মতো এমন নাজুক অবস্থা যেনো আর কখনো ফিরে না আসে'।