সাগর বক্ষ চিরে নেমে আসবে বিমান

  • 08 Oct
  • 10:41 PM

মোঃ জাকির হোসেন 08 Oct, 21

কক্সবাজার নামটি শুনলেই কল্পনার দৃশ্য পটে ভেসে উঠে প্রাকৃতিক নানা সাজ আর নন্দনের কথা। মনে পড়ে আকাশের ঐ নীল আভা যেন ছুঁয়েছে আছড়ে পড়া জল রাশিকে। সমুদ্রের উথাল -পাতাল ঢেউ বার বার হাত ছানি দিয়ে ডাকে তার স্নিগ্ধতার দিকে। কখনো বা সেই ঢেউ গ্রাস করতে চাই নিরবে অবলীলায় থাকা প্রস্তরখন্ডকে। সৈকতের তীর ঘেঁষে স্তব্ধ হয়ে দাঁড়িয়ে থাকা গাছগুলো নাড়া দেয় দক্ষিণা হিমেল বাতাসে। দৃষ্টিসীমার অলক্ষ্যে উঁকি দেয় জোড়া ডলফিন। তীরের চিকচিকে বালি নিজেকে আচ্ছাদিত করে নেয় সমুদ্রের জোয়ারে। আবার নিজেকে আপনিই যেন ম্লান করে ভাঁটায়। এই প্রাকৃতিক সাজকে বিমোহিত করে নতুন মাত্রা যোগ করতে যাচ্ছে কক্সবাজার বিমানবন্দরের সমুদ্র বক্ষের ওপর প্রস্তাবিত ১০৭০০ ফিট রান ওয়ে।

দেশে প্রথমবারের মত সমুদ্রের বুক ভরাট করে নির্মিত হতে যাচ্ছে কক্সবাজার বিমানবন্দর। ২৯ আগষ্ট এই বিমানবন্দর সম্প্রসারণের কাজ শুভ উদ্ধোধন ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। অনেকটা আধুনিক সুযোগ সুবিধা প্রদানে সক্ষম দেশের সবচেয়ে বৃহৎ আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর হবে এটি। ইতোমধ্যে নতুন টার্মিনাল ভবন নির্মাণ, রানওয়ে সম্প্রসারণ, এয়ারফিল্ড গ্রাউন্ড, এবং আধুনিক লাইটিং সিস্টেম স্থাপনের কাজ আমলে নিয়েছে সরকার। এছাড়াও এখানে আধুনিক প্রিসিশন এপ্রোচ ক্যাট -১ লাইটিং সিস্টেম স্থাপন করা হবে যার ফলে দেশি-বিদেশি সকল বিমান পূর্ণ লোডে উড্ডয়ন ও অবতারণ করতে সক্ষম হবে। এছাড়া নতুন মাত্রা যোগ করবে দেশি বিদেশি ফ্লাইট সংখ্যা, কার্গো বিমান, ও যাত্রীবাহী বিমান। পদ্মা সেতুর পরে দেশের নিজ অর্থায়নে সম্প্রসারিত হতে যাচ্ছে এটি। প্রকল্পটি বাস্তবায়নে যৌথভাবে কাজ করবে চীনের দুটি টিকাদারি প্রতিষ্ঠান চাংজিয়া ইচাং ওয়াটার ওয়ে ইঞ্জিনিয়ারিং ব্যুরো ও চায়না সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং ইন্সট্রাকশন করপোরেশন- জেভি । রান ওয়েটির দৈর্ঘ্য হবে ১৭০০ ফুট যার ৭০০ ফুট বের হয়ে থাকবে ভরাটকৃত সমুদ্রজলের ওপর। বন্দরটি নির্মানে ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ১ হাজার ৫৬৮ কোটি ৮৬ লাখ টাকা।

সাগর বক্ষ চিরে নেমে আসবে বিমান

কক্সবাজার নামটি শুনলেই কল্পনার দৃশ্য পটে ভেসে উঠে প্রাকৃতিক নানা সাজ আর নন্দনের কথা। মনে পড়ে আকাশের ঐ নীল আভা যেন ছুঁয়েছে আছড়ে পড়া জল রাশিকে। সমুদ্রের উথাল -পাতাল ঢেউ বার বার হাত ছানি দিয়ে ডাকে তার স্নিগ্ধতার দিকে। কখনো বা সেই ঢেউ গ্রাস করতে চাই নিরবে অবলীলায় থাকা প্রস্তরখন্ডকে। সৈকতের তীর ঘেঁষে স্তব্ধ হয়ে দাঁড়িয়ে থাকা গাছগুলো নাড়া দেয় দক্ষিণা হিমেল বাতাসে। দৃষ্টিসীমার অলক্ষ্যে উঁকি দেয় জোড়া ডলফিন। তীরের চিকচিকে বালি নিজেকে আচ্ছাদিত করে নেয় সমুদ্রের জোয়ারে। আবার নিজেকে আপনিই যেন ম্লান করে ভাঁটায়। এই প্রাকৃতিক সাজকে বিমোহিত করে নতুন মাত্রা যোগ করতে যাচ্ছে কক্সবাজার বিমানবন্দরের সমুদ্র বক্ষের ওপর প্রস্তাবিত ১০৭০০ ফিট রান ওয়ে।

দেশে প্রথমবারের মত সমুদ্রের বুক ভরাট করে নির্মিত হতে যাচ্ছে কক্সবাজার বিমানবন্দর। ২৯ আগষ্ট এই বিমানবন্দর সম্প্রসারণের কাজ শুভ উদ্ধোধন ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। অনেকটা আধুনিক সুযোগ সুবিধা প্রদানে সক্ষম দেশের সবচেয়ে বৃহৎ আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর হবে এটি। ইতোমধ্যে নতুন টার্মিনাল ভবন নির্মাণ, রানওয়ে সম্প্রসারণ, এয়ারফিল্ড গ্রাউন্ড, এবং আধুনিক লাইটিং সিস্টেম স্থাপনের কাজ আমলে নিয়েছে সরকার। এছাড়াও এখানে আধুনিক প্রিসিশন এপ্রোচ ক্যাট -১ লাইটিং সিস্টেম স্থাপন করা হবে যার ফলে দেশি-বিদেশি সকল বিমান পূর্ণ লোডে উড্ডয়ন ও অবতারণ করতে সক্ষম হবে। এছাড়া নতুন মাত্রা যোগ করবে দেশি বিদেশি ফ্লাইট সংখ্যা, কার্গো বিমান, ও যাত্রীবাহী বিমান। পদ্মা সেতুর পরে দেশের নিজ অর্থায়নে সম্প্রসারিত হতে যাচ্ছে এটি। প্রকল্পটি বাস্তবায়নে যৌথভাবে কাজ করবে চীনের দুটি টিকাদারি প্রতিষ্ঠান চাংজিয়া ইচাং ওয়াটার ওয়ে ইঞ্জিনিয়ারিং ব্যুরো ও চায়না সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং ইন্সট্রাকশন করপোরেশন- জেভি । রান ওয়েটির দৈর্ঘ্য হবে ১৭০০ ফুট যার ৭০০ ফুট বের হয়ে থাকবে ভরাটকৃত সমুদ্রজলের ওপর। বন্দরটি নির্মানে ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ১ হাজার ৫৬৮ কোটি ৮৬ লাখ টাকা।

দেশি বিদেশি বিমান চলাচল শুরু হলে বন্দরটিতে অবতারণের জন্য বিমানগুলোকে কিছুটা দূর থেকে সমুদ্রের উত্তাল নীলাভ জলরাশিকে ঘেঁষে আসতে হবে। পর্যটকদের কাছে যা হবে অত্যন্ত দর্শনীয়।প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে সচল হবে দেশের অর্থনীতির চাকা। কক্সবাজারে পর্যটন ও অর্থনৈ
তিক শিল্প বিকাশে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনবে। অসাধ্য সাধনে বদ্ধপরিকর বাংলাদেশ এখন তার সপ্ন পূরণ করে বর্হিবিশ্বের নজর কাড়তে সক্ষম হয়েছে।


মোঃ জাকির হোসেন
ভূমি ব্যবস্থাপনা ও আইন বিভাগ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়।
দেশি বিদেশি বিমান চলাচল শুরু হলে বন্দরটিতে অবতারণের জন্য বিমানগুলোকে কিছুটা দূর থেকে সমুদ্রের উত্তাল নীলাভ জলরাশিকে ঘেঁষে আসতে হবে। পর্যটকদের কাছে যা হবে অত্যন্ত দর্শনীয়।