রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬১তম জন্মজয়ন্তী উৎযাপন

  • 08 May
  • 05:51 PM

মোঃ হাবিবুর রহমান, রবিবা প্রতিনিধি 08 May, 22

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬১তম জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসক কর্তৃক আয়োজিত তিনদিন ব্যাপী অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করা হয়েছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে অবস্থিত রবীন্দ্র কাছাড়ি বাড়ি মিলনায়তনে।

রবিবার (৮ মে) জেলা প্রশাসক ড. ফারুক আহম্মদের সভাপতিত্বে এবং শাহজাদপুর- ৬ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য ড. মেরিনা জাহান কবিতা অনুষ্ঠানটি উদ্বোধন করেন।


প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, এম.পি, মাননীয় প্রতিমন্ত্রী, নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রফেসর ড. মোঃ শাহ আজম, উপাচার্য, রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়। জনাব চয়ন ইসলাম, সভাপতি, শাহজাদপুর থানা আওয়ামী লীগ।

এ সময় বক্তরা রবীন্দ্রনাথের জীবন ও তার সাহিত্য কর্মের উপর বক্তব্য রাখেন। মাননীয় প্রতিমন্ত্রী তার বক্তব্যে বলেন, "৭৫' পরবর্তীতে এক শ্রেনি বঙ্গবন্ধুর নাম মুছে ফেলতে চেয়েছিল সেখানে রবীন্দ্রনাথের দর্শন চর্চা ছিল অকল্পনীয়। বর্তমানে সরকার রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় রবীন্দ্র গবেষণার জন্য অর্থায়ন করছে। কারিগরি শিক্ষার প্রকৃষ্ট উদাহরণ রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়।

তিনি আরও বলেন, সরকার নদীকে নব্যতা প্রদানের জন্য ডেলটা পরিকল্পনা হাতে নিয়েছেন এবং তারই ধারাবাহিকতায় এই এলাকার নদীর প্লাবতা রক্ষায় কাজ করছে সরকার।

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বলেন, রবীন্দ্রনাথ আমাদের সর্বত্র বিরাজমান। তিনি সাহিত্যে, দর্শনে, সমাজের কল্যাণে, বিজ্ঞানে অবদান রেখেছেন। তিনি আরও বলেন রবীন্দ্রনাথই প্রথম গ্রামীণ উন্নয়নের অবদান রাখেন।

প্রফেসর মেরিনা জাহান কবিতা বলেন, রবীন্দ্রনাথ এবং বঙ্গবন্ধুর মধ্যে রয়েছে সাদৃশ্য। রবীন্দ্রনাথ যেমন মানুষের কল্যাণে কাজ করেছেন বঙ্গবন্ধুও তেমন জাতির কল্যাণে কাজ করেছেন। দীর্ঘ ২ বছর পর রবীন্দ্র জন্মজয়ন্তী করতে পারায় তিনি জেলা প্রশাসনকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।


অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন, সিরাজগঞ্জ পুলিশ সুপার, সাংস্কৃতিক বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব, অতিরিক্ত রাজস্ব কর্মকর্তা, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, স্থানীয় মেয়র এবং আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ।