বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে ৪র্থ নোবিপ্রবি

  • 08 Jan
  • 09:56 PM

এস আহমেদ ফাহিম, নোবিপ্রবি প্রতিনিধি 08 Jan, 22

২০২১ সালে ২৯৭টি গবেষণাপত্র প্রকাশ করে দেশের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে ৪র্থ স্থান অর্জন করেছে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (নোবিপ্রবি)। এছাড়া সব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে ১২তম অবস্থানে রয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়টি।


শনিবার (৮ জানুয়ারি) রাতে এই বিষয়ে দেশের গবেষণা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণকারী ম্যাগাজিন সায়েন্টিফিক বাংলাদেশের প্রকাশিত এক প্রতিবেদন থেকে জানা যায়। প্রতিবেদনটিতে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক স্কোপাস জার্নালের বিভিন্ন উপাত্ত বিশ্লেষণ করে তথ্য প্রকাশ করা হয়।


সায়েন্টিফিক বাংলাদেশ স্কোপাস জার্নালের ২০২১ সালে বাংলাদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের গবেষণা নিবন্ধের ভিত্তিতে একটি তালিকা প্রকাশ করে। এই তালিকায় মোট ১১ হাজার ৪৭৭ টি বৈজ্ঞানিক ডকুমেন্টস প্রকাশ করে বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলো যা ২০২০ সালের চেয়ে বেড়েছে প্রায় ৩০০০।এর মধ্যে ২০২১ সালে নোবিপ্রবির শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের ২৯৭টি গবেষণাপত্র প্রকাশিত হয়েছে যা ২০২০ সালে ছিলো ১৭৪টি।


এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসী বিভাগের চেয়ারম্যান ও স্কোপাস জার্নালের রিভিউয়ার অধ্যাপক ড. শফিকুল ইসলাম বলেন,২০২১ সালে নোবিপ্রবির শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের ২৯৭টি গবেষণাপত্র স্কোপাস জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে। ২০২০ সালে এই সংখ্যা ছিলো ১৭৪টি।বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের গবেষণার সংখ্যা বেড়েছে।গবেষণার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাজেটের পরিমাণ বাড়ানো হয়েছে। যার ফলে আমরা এই অর্জন করতে পেরেছি।শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা গবেষণামুখী হলে র‍্যাংকিংয়ে আরো উন্নতি করা সম্ভব বলে জানান ড.শফিকুল।

এ বিষয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ দিদার-উল-আলম বলেন, একজন শিক্ষকের কাজ শিক্ষকতা ঠিক মতো করা এবং পাশাপাশি গবেষণায় বেশি গুরুত্ব দেয়া। এই বিশ্ববিদ্যালয়ে সুযোগ সুবিধা যতটুকুই থাকুক না কেন, এরমধ্যে গবেষণা বৃদ্ধি করতে আমি যোগদানের পর থেকে চেষ্টা করেছি। এই ফল দেখে খুবই ভালো লাগছে।

তিনি আরো বলেন, যেসব শিক্ষক-শিক্ষার্থীর গবেষণার পর আজকের এই ফল বিশ্ববিদ্যালয় পেয়েছে তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা। এছাড়া এই বিশ্ববিদ্যালয়কে এগিয়ে নিতে বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি সহ সংশ্লিষ্ট যারা সর্বোপরি কাজ করে যাচ্ছে তাদের সবার অবদান স্বীকার করেন উপাচার্য।