ইবিতে ছাত্রলীগ কর্মীকে মারধরের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি অভিযোগ

  • 14 Apr
  • 01:27 PM

ইবি প্রতিনিধি 14 Apr, 22

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের সুজন আহমেদ ও ব্যবস্থাপনা বিভাগের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের আসিফ আহমেদ শিমুল হোসেন পাল্টাপাল্টি লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত কমিটি করেছে প্রক্টর। উভয় অভিযোগকারী ছাত্রলীগ কর্মী।

বুধবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর প্রফেসর ড. জাহাঙ্গীর হোসেন বরাবর তারা লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। অভিযোগের ভিত্তিতে ব্যবস্থাপনা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও সহকারি প্রক্টর ড. মুর্শিদ আলমকে আহ্বায়ক করে তিন সদস্যর তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির অন্য দুই সদস্য হলেন, সহকারী প্রক্টর ড. শফিকুল ইসলাম ও শরিফুল ইসলাম জুয়েল।

সুজন জানায়, সোমবার সুজন তার বান্ধবীকে নিয়ে টিএসসির দিকে আসে। তখন ছাত্রলীগ নেতা ফজলে হাসান রাব্বির অনুসারি সাদ্দাম হোসেন হলের আবাসিক শিক্ষার্থী ব্যবস্থাপনা বিভাগের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের আসিফ আহমেদ শিমুল হোসেন তার বান্ধবীকে উত্যক্ত করে। এসময় তার সাথে সুজন ও শিমুলের বাকবিতন্ডা হয়। জিয়ামোড়ে এসে শিমুলের সাথে আবার দেখা হয় সুজনের। তখন শিমুলকে বলে তুমি আমার বান্ধবীর সামনে এমন আচরণ কেন করলে। শিমুল বলেন, করছি তা কি হয়েছে। তখন সুজন শিমুলকে ধাক্কা দেয়। পাশেই বিপুল ভ্যান থেকে নেমে সুজনকে চড় মাড়তে থাকে।

এদিকে শিমুল লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করেন, রাতে আপত্তিকর অবস্থায় বান্ধবীকে নিয়ে টিএসসিসির সামনে বসে ছিলেন। এসময় আমি তাদেরকে এখান থেকে চলে যেতে বলি। তিনি উল্টো আমাকে জুনিয়র বলে ধমক দিয়ে শাসাতে থাকেন। আপত্তিকর অবস্থায় থাকায়, প্রক্টর এসে ঝামেলা করতে পারে এজন্য আমি তাদেরকে সরে যেতে বলেছি।

এ বিষয়ে ছাত্রলীগ নেতা বিপুল হোসেন খান বলেন, আমি ওখানে সমাধানের জন্য গিয়েছি। পরে তাদেরকে রুমে যেতে বলি। আর সুজন মাদকের সাথে জড়িত আছে। আমরা তার সূত্র পেয়েছি। হল প্রশাসনকে বিষয়টা অবহিত করব।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর প্রফেসর ড. জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, সুজন ও শিমুল আমার কাছে লিখিত অভিযোগ করেছে। আমি সুজনের অভিযোগের ভিত্তিতে তিন সদস্য বিশিষ্ট কমিটি করে দিয়েছি। আগামী চার কার্য দিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। প্রতিবেদন পর্যালোচনা করার মধ্যে দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ব্যবস্থা নিবেন।